প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ইং || প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং

সৌদিকেরক্ষায় মিসর এত মরিয়া কেন

মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ইয়েমেনের হুতিদের হামলার মধ্যে মিসর সফরে যান সৌদি যুবরাজ। হুতি মোকাবিলায় সৌদি যুবরাজ মিসরের সহযোগিতা চেয়েছেন।
ছবির ক্যাপশন: মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ইয়েমেনের হুতিদের হামলার মধ্যে মিসর সফরে যান সৌদি যুবরাজ। হুতি মোকাবিলায় সৌদি যুবরাজ মিসরের সহযোগিতা চেয়েছেন।

এই সামরিক অভিযানে জড়িয়ে পড়ার পরিণতি দেশটির মোতায়েন করা সশস্ত্র বাহিনীর সীমানা ছাড়িয়ে আরও সুদূরপ্রসারী হতে পারে। এটি মিসরের অর্থনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। মিসরের রাজস্ব আয়ে ধস নামাতে হুতিদের সুয়েজ খালে সরাসরি আক্রমণ করারও প্রয়োজন পড়বে না। খালটির আরও দক্ষিণে লোহিত সাগরে তারা সামান্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারলেই ঝুঁকি তৈরি হয়ে যাবে।

তবে কায়রোকে এর চেয়েও ভয়াবহ একটি পরিস্থিতির কথা মাথায় রাখতে হচ্ছে: সুয়েজ খালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজ কিংবা বন্দরের মতো অবকাঠামোতে সরাসরি হামলা চালানো হতে পারে, যা খালের নৌ–চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে বাধ্য করবে।

গত জুলাই মাসে দামিয়াত বন্দরে একটি ড্রোন হামলায় দুটি তেল ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা মিসরের বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসার আগাম সতর্কবার্তা দেয়। হামলার দায় আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ স্বীকার না করলেও ঘটনাটি মিসরের ঝুঁকি নিশ্চিত করে।

ইয়েমেন যুদ্ধে মিসরের সরাসরি জড়িয়ে পড়া এই ঝুঁকিকে সুমেদ পাইপলাইনসহ সমগ্র জ্বালানি খাতের ওপর বিস্তৃত করবে, যার মধ্যে এর উপকূলীয় টার্মিনাল ও জ্বালানি গুদামগুলো অন্তর্ভুক্ত।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Webmks
Developed by WebMks.com